পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ! লালমনিরহাটে দলিল লেখক সমিতির সম্পাদককে রাম’দা দিয়ে প্রকাশ্যে কোপালো সন্ত্রাসী।

ছবিঃ সিসিটিভি ফুটেজ

 

ছবিঃ সিসিটিভি ফুটেজ

প্রকাশ্যে দিনে দুপুরে রাম’দা দিয়ে কুপিয়ে পুলিশের সামনেই নির্বিঘ্নে চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে লালমনিরহাট শহরে।

মামলার এজাহার এবং সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, লালমনিরহাট সদর সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসের দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হামিদুর রহমান (৫২) অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে সদর হাসপাতাল রোডস্থ আপনপাড়া মেসার্স শফিক ফিলিং ষ্টেশনে মোটরসাইকেলে পেট্রোল নিচ্ছেন। এমন সময় (বিকেল ৩.৩৯ মিনিট) পূর্ব পরিকল্পিত পার্শ্ববর্তী এলাকার এন্তা মিয়ার পূত্র সোহেল রানা (৩৫) রাম’দা দিয়ে অতর্কিতভাবে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে।
হামিদুর রহমান হাত দিয়ে ঠেকিয়ে দেওয়ায় তার মাথা রক্ষা পায়। এসময় ফিলিং ষ্টেশনের মালিক সিরাজুল হক, তার ছেলে এবং পথচারীরা বাধা দিলেও সোহেল রানা কোপাতে থাকে।
এক পর্যায়ে সোহেল রানার মা ও স্ত্রী ছুটে এসেও তাকে নিবৃত করতে থাকে। এরপরও সন্ত্রাসী সোহেল রানা তাকে মেরে ফেলার হুমকি সহ কোপানোর চেষ্টা করে। বারবার বাধা দিলে একপর্যায়ে সোহেল রানা তার স্ত্রীকেও ধাক্কাধাক্কি করে গায়ে হাত তোলেন। ধীরে ধীরে লোক সমাগম বাড়তে থাকলে বিকেল ৩.৪৬ মিনিটে টহল পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে আসে। এরপর পুলিশের সামনেই হামিদুরকে আক্রমণ করার চেষ্টা করে। এরপর ৫/৭ মিনিট অবস্থান করে হুমকি দিয়ে পুলিশের সামনেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী ফুঁসে উঠেছে। তারা জানান, হামিদুর রহমান হাত দিয়ে না ঠেকালে রাম’দায়ের কোপটিতে তার মাথা দ্বিখণ্ডিত হয়ে যেতে পারতো। এতে ঘটনাস্থলে তিনি মারাও যেতে পারতেন অথচ ঘটনার ৬ মিনিটের মধ্যে পুলিশ এলেও তাদের সামনেই বিভিন্ন হুমকি দিয়ে নির্বিঘ্নে চলে গেলেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেনি।

লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম পিপলস টিভি কে বলেন, টহল পুলিশ বিষয়টি তাৎক্ষনিক বুঝে উঠতে পারেনি। তবে অভিযোগ পেয়েছি এবং দ্রুত এর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।