লালমনিরহাটে বালুভর্তি ট্রাক্টরের ধাক্কায় ‍ নিহত ১

সকাল সাড়ে ১১ টায় সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের, লালমনিটহাট ও মোগলহাট সড়কের ভাটারপাড় এলাকায়, ডাক্তার দেখিয়ে ঔষধ নিয়ে অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফেরার সময়, আর বাড়ীতে ফেরা হলোনা নুরী আক্তার নামের এক শিশুর । বালু ভর্তি দ্রতগামী ট্রাক্টরের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই নুরী আক্তার নিহত হয়। এ সময় অটোরিকশায় থাকা, নুরীর নানা আব্দুর রশিদ ও অটোরিকশা চালক হবিবর রহমান গুরুতর আহত হন। জানা গেছে নিহত নুরী আক্তার আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ গোবদা(ভিতরকুঠি) গ্রামের নজির হোসেনের শিশু কন্যা। নজির হোসেনের পরিবার অতি দরিদ্র হওয়ায়, নিহত নুরী একই উপজেলার ভেলাবাড়িতে তার নানা আব্দুর রশিদের বাড়িতেই থাকতো। তার বাবা নজির হোসেন ঢাকায় থাকেন জীবিকা নির্বাহের জন্য। জানা যায়, মোগলহাট থেকে ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ নিয়ে অটোরিকশাযোগে নানার বাড়ি ভেলাবাড়ি যাচ্ছিলো নুরী আক্তার। ভাটারপাড় এলাকায় আসলে দ্রুত গতির একটি বালু ভর্তি ট্রাক্টর পেছন দিক থেকে অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিলে নুরীর মাথা থেতলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। রিকশায় থাকা তার নানা ও রিকশা চালক গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন এসে গুরুতর আহত অবস্থায় নুরীর নানা আব্দুর রশিদ ও অটোরিকশা চালক হবিবরকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য মুমূর্ষু অবস্থায় তাদেরকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন ঘাতক ট্রাক্টরটি আটক করলেও চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। নুরীর মা মৌসুমী আক্তার জানান, কয়েকদিন থেকে জ্বর ছিল নুরীর। এজন্য সকালে তাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য মোগলহাট পুলিন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায় তার নানা। ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথেই এ ঘটনা ঘটে। লালমনিরহাট সদর থানার ওসি শাহা আলম জানান, ঘটনার পর পরই সেখানে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ট্রাক্টর ও ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশাটি থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে। তবে ঘাতক ট্রাক্টরটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এখন সেখানে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে