মামুনুলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনের মামলা নেননি আদালত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের বিরোধিতা ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন না নিয়ে ফেরত দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসাম জগলুল হোসেনের আদালতে মামলাটির আবেদন জমা দেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মালেক।

এদিন আদালত বাদীর দায়ের করা মামলার আবেদন বিষয়ে শুনানি শেষে উচ্চ আদালতে যাওয়ার পরমর্শ দেন। একই সঙ্গে নথি ফেরত দেন।

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুল মালেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আদালত শুনানি শেষে এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে যাওয়ার জন্য মৌলিকভাবে আদেশ দেন। এরপর আমরা মামলাটি কপি ফেরত নিয়ে আসি।’

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৩ নভেম্বর বিএমএ মিলনায়তনে বাংলাদেশ যুব খেলাফত মজলিসের ঢাকা মহানগর শাখার সমাবেশে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মানের বিরোধিতা করেন মামুনুল হক। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য গড়তে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে লাশের পর লাশ পড়বে। আবার শাপলা চত্বর হবে।’

সেই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। মামুনুল হকের বক্তব্যের পর একটি শ্রেণি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মানের বিরোধিতা করে একের পর এক বক্তব্য দিচ্ছে। দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধিতা করে উত্তেজনাকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২১, ২৫, ২৮ এবং ৩১ ধারায় অভিযোগ এনে এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।