খোলা জায়গায় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান করা যাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খোলা জায়গায় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে মহান বিজয় দিবস-২০২০ যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে উদযাপন করতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত জাতীয় কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নকল্পে যথাযথ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় ভার্চুয়াল সভায় তিনি এ কথা জানান।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ইনডোর (ঘরোয়া) অনুষ্ঠান করা যাবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করে অনুষ্ঠান করতে হবে। অনুষ্ঠানগুলোতে কেউ যেন নাশকতা সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য দেশব্যাপী গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, মহান বিজয় দিবসে সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিক মাপ ও রঙের জাতীয় পতাকা যথাযথভাবে উত্তোলন করতে হবে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকাসহ সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় ৩১ বার তোপধ্বনির ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিভিন্ন স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা যাবে। অনুষ্ঠানসমূহ সফল করতে ইউটিলিটি সহযোগিতা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ ইউটিলিটি প্রদান করবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে গমনাগমন ও পুষ্পার্ঘ অর্পণকালীণ যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি রাষ্ট্রের কূটনৈতিকদের মধ্যে থেকে যারা জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন, তাদের যথাযথ নিরাপত্তা দেয়া হবে।

তিনি বলেন, জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায়ও পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা থাকবে। ঢাকা থেকে সাভার যাওয়ার রাস্তায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ রাস্তাঘাট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকবে।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সারাদেশের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে (মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডা) শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত এবং জাতির সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত প্রার্থনা করা হবে। বিজয় দিবসে কারাগার, হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম ও এতিমখানায় উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হবে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিস সেবায় নিয়োজিত থাকবে। বিজয় দিবস সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ঢাকাসহ দেশের সকল স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। যেকোনো ধরণের নাশকতার চেষ্টা করা হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে। দেশব্যাপী গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তে মাদকসহ অন্যান্য চোরাচালান বন্ধে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।