স্মার্ট সুন্দরী ইভাঙ্কা ট্রাম্প রিয়েলিটি শো’র উপস্থাপিকা হচ্ছেন

দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে তার পরিবারেও আসছে বড় পরিবর্তন। ইতোমধ্যে ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প তার প্রেসিডেন্ট স্বামীকে ডিভোর্স দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। 

শুধু মেলানিয়া ট্রাম্প নয়, ট্রাম্পের পরাজয়ের প্রভাব পড়ছে তার বড় কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও ইভাঙ্কার স্বামী জ্যারেড কুশনারের পেশায়। বিগত বছরগুলোতে তারা দুজনই ট্রাম্পের সিনিয়র উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছেন।

গত ৪ বছর ট্রাম্প পরিবারের সদস্যরা হোয়াইট হাউসেই কাটিয়েছেন। কিন্তু ট্রাম্পের পরাজয়ের ফলে ৭২ দিন পরই পুরো পরিবারকে হোয়াইট হাউস ছাড়তে হবে।

ইভাঙ্কা, কুশনার, ট্রাম্প ও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা হোয়াইট হাউস ছেলে কোথায় যাচ্ছেন, কোন পেশায় যুক্ত হচ্ছেন- এ নিয়ে বিশ্ববাসীর মধ্যে কৌতুহল তো আছেই!

এখন ইভাঙ্কা ও কুশনারের প্রথম কাজ হচ্ছে ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউস থেকে বের করা। স্বভাবতই বড় মেয়ে হিসেবে তার ওপর বাপের বাড়তি নির্ভরতা থাকে। মেয়েরও থাকে বাপের ওপর বিশাল প্রভাব। এমনকি মেয়েজামাতারও শ্বশুরের ওপর সেই প্রভাবের ছায়া পড়ে।

হোয়াইট হাউস থেকে বেরিয়ে রিয়েলিটি শো’র উপস্থাপিকা হতে পারেন ইভাঙ্কা। দ্য রিয়াল স্টেফোর্ড ওয়াইভস হতে পারে তেমন একটি শো।

শোনা যাচ্ছে, এরইমধ্যে স্মার্ট সুন্দরী ইভাঙ্কার কাছে টিভিগুলোর প্রস্তাবের তালিকা লম্বা হচ্ছে।

এছাড়া সস্তায় কাপড় বিক্রি করতেও পটু ইভাঙ্কা। জুয়েলারি ও কাপড়সহ ফ্যাশন জগতের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন ট্রাম্পকন্যা। ইভাঙ্কা’র ফ্যাশন প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টার দায়িত্ব নেয়ার পর যদিও মুখ থুবড়ে পড়েছে।

তবে এখন আমাজনসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দোকানে ইভাঙ্কা ফ্যাশনের পণ্য পাওয়া যাবে। চীন থেকে উৎপাদিত পণ্য দিয়ে নিজের ফ্যাশন ব্র্যান্ড দাঁড় করিয়েছিলেন ইভাঙ্কা। ‘প্যাট্রিয়টস’ এ সেগুলো বিক্রি করা হতো। এবার সে ব্যবসাতেও নতুন করে নামতে পারেন ইভাঙ্কা।