চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে,ডাক্তার নামধারী ভিক্টর বদরুজ্জামান

অভিনব কৌশল অবলম্বন করে ভুয়া ডাক্তার ভিক্টর বদরুজ্জামান চিকিৎসা সনদ ছাড়াই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে, এবং ডাক্তার নামটি ব্যবহার করছে, যেন দেখার কেউ নেই।
তার কথিত চেম্বারে হোমিওপ্যাথি কোন ঔষধ নেই, আছে শুধু গ্লোবিউলস ও সুগার। সব রোগের জন্য দেওয়া হচ্ছে দুইটি করে পুড়িয়া। যেখানে একধরনের মাদকের অস্তিত্ব আছে বলে সন্দেহ করছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকেরা।তাদের ধারনা যেহেতু তার চেম্বারে কোন হোমিওপ্যাথি ঔষধ নেই সেকারনে কৌশলে খুব সামান্য পরিমাণ মাদক মিশিয়ে ধীরে ধীরে মাদকাসক্ত বানানো হচ্ছে রোগীদের বলে আশংকা করছেন ডাক্তারগন।
তিনি অভিনব কৌশল অবলম্বন করে সহজ সরল রুগ্ন রোগীদের বলছেন, আমার পুড়িয়া খেলে রোগ বেড়ে যাবে। অন্য কোন ঔষধ সেবন চলবে না।

রোগাক্রান্ত ব্যক্তিগণ পূর্বের চিকিৎসায় সাময়িক ভাবে সুস্থ থাকলেও ভিক্টরের ২ পুড়িয়ায় কোন ক্রিয়া না থাকায় পূর্বের ঔষধ বন্ধ করে দেয়ায় রোগের তিব্রতা বেড়ে যায়, ভিক্টরের কৌশল এই ঔষধে শরীরের ভিতরে থাকা সকল রোগ বৃদ্ধি হবে এবং ৪/৫ বৎসর পর সমস্ত রোগ ভাল হবে। এই অপকৌশল ও অপচিকিৎসার ফাঁদে পড়ে সহজ সরল ভুক্তভোগী অসংখ্য রুগ্ন ব্যক্তি ধিরে ধিরে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ছে।আবার কোন কোন রোগী স্লো মাদকাসক্ত হয়েছে।
দিন যায়,মাস যায়,বছরের পর বছর যায় শুধু রোগ বাড়ে, কমে আর না। ভুয়া চিকিৎসা কেন্দ্রে নূন্যতম প্রেসার বা ডায়বেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ পরিমাপের কোনও ব্যবস্থা নেই। সকল রোগী, সকল রোগের জন্য একই চিকিৎসা ২ পুড়িয়া। মাসের পর মাস তার একেক জন এজেন্ট ১০/ ২০টি করে কার্ড নিয়ে এসে নিয়ে যাচ্ছে ঐ একই স্লো মাদক মিশানো পুড়িয়া।

এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম কুড়িগ্রাম হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ইয়াকুব আলী জানান, তার কোনও বৈধতা নেই চিকিৎসা দেয়ার। তিনি যে কলেজের সার্টিফিকেট দেখিয়েছেন সেটি অবৈধ, এবং কলেজটিও অবৈধ। এ ধরনের ডাক্তারের কারণে এ অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে হোমিও সেবায় নিয়োজিত ডাক্তারদের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজর দেয়া প্রয়োজন বলে তিনি জানান।
(চলমান)

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে