বয়স চুরি করে ২ বছর নিষিদ্ধ ভারতের বিশ্বকাপ তারকা

স্পোর্টস ডেস্ক,চলতি মাসের ১৭ তারিখ থেকে শুরু হবে যুব বিশ্বকাপের নতুন আসর। এর আগে ২০১৮ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে রেকর্ড চতুর্থবারের মতো শিরোপা জিতেছিল ভারত।

সেবার পুরো আসরে ব্যাট হাতে তেমন কিছু করতে না পারলেও, শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল ম্যাচটা প্রায় একা হাতেই ভারতকে জিতিয়েছিলেন বাঁহাতি তরুণ মানজোত কালরা। অস্ট্রেলিয়ার করা ২১৭ রানের জবাবে কালরা অপরাজিত ১০১ রানের ইনিংসেই ৮ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছিল ভারত।

কিন্তু সে বিশ্বকাপের দুই বছর পেরুনোর আগেই, ভারতের এই বিশ্বকাপ তারকার বিরুদ্ধে প্রমাণিত হলো বয়স চুরির অভিযোগ। যে কারণে আগামী দুই বছরের জন্য তাকে সবধরনের বয়সভিত্তিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করেছে দিল্লি এবং ডিস্ট্রিক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (ডিডিসিএ)।

ডিডিসিএ’র অবসরপ্রাপ্ত ন্যায়পাল বাদ্র দুরেজ আহমেদ এই শাস্তির কথা জানিয়েছেন। অনূর্ধ্ব-১৬ এবং অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে খেলার সময়ে বয়স চুরি করেছেন মানজোত- এমন প্রমাণ পেয়েছে ডিডিসিএ। তাই আগামী দুই বছর বয়সভিত্তিক ও এক বছর সবধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে মানজোতকে।

এ শাস্তির কথা জানিয়ে দুরেজ আহমেদ বলেন, ‘মানজোতের ক্ষেত্রে আদেশ হলো, তাকে যেনো জানিয়ে দেয়া হয়, এই আদেশের পর থেকে আগামী দুই বছর কোনো ধরনের বয়সভিত্তিক ক্রিকেট খেলতে পারবে না। তবে শাস্তির দ্বিতীয় বছর থেকে ক্লাবের হয়ে অন্যান্য সব ম্যাচ সে খেলতে পারবে।’

২০১৮ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে সবমিলিয়ে ৬ ম্যাচ খেলেছিলেন মানজোত। একটি করে ফিফটি ও সেঞ্চুরিতে ৮৪ গড়ে করেছিলেন ২৫২ রান। তার সঙ্গে একই বিশ্বকাপে খেলা ডানহাতি পেসার শিভাম মাভির ক্ষেত্রেও উঠেছে বয়স চুরির অভিযোগ। তবে তার বিষয়টি বিসিসিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কেননা এরই মধ্যে উত্তর প্রদেশের হয়ে সিনিয়র ক্রিকেটে নাম লিখিয়েছেন মাভি।

এছাড়া দিল্লিতে মানজোতের অগ্রজ সতীর্থ নিতীশ রানার বিরুদ্ধেও বয়স চুরির অভিযোগ আমলে নিয়েছে ডিডিসিএ। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে থাকতে নিজের বয়স লুকিয়ে বেশিদিন খেলেছেন রানা- এমনটাই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ। তবে পর্যাপ্ত প্রমাণাদি না থাকায় এখনই কোনো শাস্তি দিতে পারছে না ডিডিসিএ। আরও তথ্য-প্রমাণের পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে রানার ক্ষেত্রে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে