চলতি জুন মাসে কিস্তি আদায়ে বাধ্য করতে পারবেনা কোন এনজিও

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে বেসরকারি সংস্থাগুলো (এনজিও) ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে কিস্তি আদায় করতে পারবে না- সরকারের এমন নির্দেশনা ছিল। কিন্তু অফিস-আদালত সীমিত পরিসরে খুলে দেয়ার পর কিস্তি আদায়ের প্রস্তুতি শুরু করে এনজিও গুলো।

এ অবস্থায় ৩০ জুন পর্যন্ত লালমনিরহাটে কিস্তি আদায় করতে পারবে না ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী এনজিওগুলো। ঋণের কিস্তি আদায় করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মোঃ আবু জাফর।

রোববার থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলেছে অফিস-আদালত। ঘরবন্দি লোকজনও নেমেছেন জীবিকার কাজে। এ পরিস্থিতিতে এনজিও গুলোও প্রস্তুতি নিচ্ছে কিস্তি আদায়ের। কোথাও কোথাও কিস্তি আদায়ে ঋণগ্রহীতাদের চাপ দেয়ারও অভিযোগ আসছে।

এর প্রেক্ষিতে সোমবার (০১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ আবু জাফর তার অফিসিয়াল আইডি থেকে একটি স্ট্যাটাস লিখেছেন,
“কোন এনজিও ক্ষুদ্র ঋনের কিস্তি পরিশোধের জন্য কোন ঋণ গ্রহীতাকে ৩০ জুন ২০২০ এর আগ পর্যন্ত বাধ্য করতে পারবেনা।”

জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক আবু জাফর লালমনিরহাট নিউজ২৪ কে বলেন, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায় করা যাবে না। এ নিয়ে রেগুলেটরি অথরিটির নির্দেশনা রয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করে কিস্তি আদায়ের প্রমাণ পেলে আইন ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে কেউ স্বেচ্ছায় কিস্তি দিতে চাইলে সেক্ষেত্রে আপত্তি নেই।

মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির মনিটরিং সেলের রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, কোথাও জোর করে ঋণ আদায় করা হলে এনজিওর ঋণ কার্যক্রম পরিচালনার লাইসেন্স বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে আমাদের। প্রয়োজনে সেটাই করব আমরা।

তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে দু’একটি অভিযোগ পেয়েছি; জোর করে ঋণ আদায় করা হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তা বন্ধ করেছি। বার বার সতর্ক করার পরও ঋণ আদায় করলে লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে